গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুল শিক্ষিকা হত্যাকান্ডের ঘটনায় মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার রাতে এ বিষয়ে জিজ্ঞাাসাবাদের জন্য আটক করে তাকে থানায় নিয়ে আসা হয়।
গত শনিবার বিকেপঠ গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পার্শ্বে চক গোবিন্দপুর গ্রামের নিজ বাসা থেকে পুলিশ ওই শিক্ষিকার মরদেহটি উদ্ধার করে। এ সময় তার হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধাসহ গলায় ওড়না পেঁচানো ছিল এবং তার নিথর দেহ ঘরের মেঝেতে পড়ে ছিল। ঘরের আসবাবপত্র ছড়ানো-ছিটানো অবস্থায় পড়ে ছিল। নিহত রুমা গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী মামুনুর রশিদ চৌধুরীর দ্বিতীয় স্ত্রী এবং উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোলাইমান আলীর মেয়ে।
তিনি উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্কুল শিক্ষিকা রুমা তার প্রথম স্বামীর সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর এক পুত্র সন্তান নিয়ে বাবার মালিকানাধীন ওই বাসায় থাকতেন। পড়াশোনার কারণে তার ছেলে ঢাকায় থাকার ফলে তিনি ওই বাসায় একাই থাকতেন এবং মাঝে মধ্যে তার দ্বিতীয় স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনও তার সাথে সেখানে থাকতো। এ ঘটনায় নিহত স্কুল শিক্ষিকার ভাই রোকনুজ্জামান রুবেল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গতকাল শনিবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোজাম্মেল হক জানান, নিহত স্কুল শিক্ষিকার দ্বিতীয় স্বামী গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং নিহতের মরদেহ ময়না তদেন্তের জন্য আজ রোববার গাইবান্ধা সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে মৃত্যুর কারণ উদঘাটনে পুলিশের ক্রাইমসিন কাজ করছে- তবে এখন পর্যন্ত হত্যার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি।