আগামী ৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (বিসিসিআই) এর দ্বি-বার্ষিক (২০২৬-২০২৭ ) নির্বাচন’২০২৬ এ বিএনপি সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী এমএসএম আতিকুর রহমান বাদলের (গোলাপফুল প্রতিক ) বিরুদ্ধে নিয়মবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন ভোটারের কার্ড গ্রহনের মাধ্যমে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্ত প্রার্থী বাদল ও নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ।
বিসিসিআই নির্বাচনে জামায়াত সমর্থিত সভাপতি প্রার্থী সেলিম রেজা ( ছাতা) বৃহস্পতিবার অভিযোগ করেন , তার প্রতিদ্বন্দ্বি সভাপতি প্রার্থী আতিকুর রহমান বাদল তার লোকজনের মাধ্যমে বগুড়া চেম্বারের সচিব মাসুদ রানার নিকট থেকে ২০০-৩০০ ভোটারের ভোটদানের কার্ড নিয়ে গেছেন, যা নির্বাচনী বিধি লংঘন। নিয়ম অনুযায়ী ভোটারদের নিজ নিজ ভোট দানের কার্ড বা পরিচয়পত্র চেম্বার ভবন থেকে সংগ্রহ করতে হবে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে সভাপতি প্রার্থী আতিকুর রহমান বাদল জানান, এ রকম কোন ঘটনা জানা নেই। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি কাউকে কার্ড সংগ্রহের জন্য পাঠাইনি এবং এভাবে কার্ড বিতরনের নিয়ম নেই।
এ বিষয়ে বিসিসিআই এর সচিব মোঃ মাসুদ রানা বলেন, কয়েকজন ব্যক্তি ভোটারদের সাথে যোগাযোগ করলে আমাকে তারা ওইসব ব্যক্তিকে তাদের ভোটার কার্ড দিতে বলেন। তাই ৩০-৪০টি কার্ড কয়েকজনকে দিয়েছি।
অনিয়ম প্রসঙ্গে বিসিসিআই নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড এর চেয়ারম্যান ও জেলা অতিরিক্ত নির্বাচন কর্মকর্তা মোছাঃ আছিয়া খাতুন বলেন, আমি জানার পর বন্ধ করে দিয়েছি। এক জনের ভোটার কার্ড অন্য জনকে দেয়া যায় না। আমরা নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরনের চেষ্টা করছি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সভাপতি প্রার্থী বাদলকে পাঠানো কারন দর্শানো নেটিশের জবাব পাওয়া গেছে। পত্রিকায় নির্বাচনী প্রচারের নিয়ম না থাকায় তারা নিজেরা বাদল-হিরু পরিষদের বিজ্ঞাপন পত্রিকায় দেননি। কে বা কারা তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে স্থানীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে। তাই জবাবে সন্তুষ্ট হওয়ায় নির্বাচন বোর্ড কোন পদক্ষে নিচ্ছে না।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২০ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত বাদল-হিরু এবং জামায়াত সমর্থিত সেলিম-এরশাদ প্যানেল প্রতিদ্বন্দিতা করছে। নির্বাচনে সভাপতি , সহসভাপতির দুটি ও ৯টি পরিচালকসহ ১২টি পদে ২৮জন প্রার্থী রয়েছেন। মোট এক হাজার ৭৭ জন ভোটার ৫ জুলাই সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত শহীদ টিটু মিলনায়তনে ভোট দেবেন। প্রচারের শেষ দিকে রাত দিন প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন।