৭ ভাদ্র, ১৪৩৩

২৩ আগস্ট, ২০২৬

বগুড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা-হুমকির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকাশিত: অগাস্ট ১৮, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ন
বগুড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা-হুমকির অভিযোগ

বগুড়ার সদর উপজেলার এরুলিয়া ইউনিয়নের নিনাইলপাড়া এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে হামলা, লুটপাট, ফসল নষ্ট এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ করেছেন সুরেশ চন্দ্র সরকার নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও পরিবারের নিরাপত্তা দাবি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সুরেশ চন্দ্র সরকার। তিনি এরুলিয়া ইউনিয়নের নিনাইলপাড়া এলাকার মৃত নরেন চন্দ্র সরকারের ছেলে। তার পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নুপুর রানি।

লিখিত বক্তব্যে সুরেশ চন্দ্র সরকার বলেন, এরুলিয়া মৌজার আরএস ১৮৭৭ নম্বর খতিয়ানের সম্পত্তির মালিক ছিলেন তার কাকা মৃত রাখাল চন্দ্র সরকার। তিনি নিঃসন্তান ছিলেন। ২০০৪ সালে করা একটি উইলের মাধ্যমে ওই সম্পত্তি তার ও তার ভাই নর উত্তম চন্দ্রের নামে হস্তান্তর করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এরপর থেকে তিনি তার অংশের জমি ভোগদখল করে আসছেন।

সুরেশ চন্দ্রের অভিযোগ, ২০২২ সালে ওই জমিতে চাষ করা প্রায় দুই লাখ টাকা মূল্যের শসা নষ্ট করে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। পরবর্তীতে জমির দখল ও মালিকানা নিয়ে একাধিক বিরোধ ও মামলা হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ধান কাটার পর বাড়িতে নিয়ে আসার সময় প্রতিপক্ষের লোকজন তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে এবং ধান নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আদালতে জিআর ৪০৯/২০২৬ (সদর) মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন তিনি।

এ ছাড়া গত ১২ আগস্ট ৬০ থেকে ৭০ জন লোক নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন সুরেশ চন্দ্র। এ সময় তার স্ত্রী বিশুদা বালার মাথায় ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলী আদালতে জিআর ৬৯৩/২০২৬ (সদর) মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে সুরেশ চন্দ্র আরও বলেন, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষের লোকজন বিভিন্ন সময় রাস্তা ও আদালত চত্বরে তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছেন। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

তিনি বাংলাদেশ সরকার, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।