বগুড়ার সদর উপজেলায় প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৪–৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।
আহত সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক অতুল চন্দ্র দাসের স্ত্রী বুলবুলী রানী দাস বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।।
মামলায় আসামি করা হয়েছে—সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক রাফিউল ইসলাম রাফি (২৭), আল হাসনাত নাহিদ (২৫), জুয়েল চন্দ্র দাস ওরফে হাড়ী জুয়েল (৪২), আমানুল্লাহ আমান (২৬), আবু সাঈদ (২৪), এবং আল মামুন (২৫)। তারা সবাই বগুড়া সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা কিছুদিন ধরে অতুল চন্দ্র দাসকে হত্যার পরিকল্পনা করে তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছিল। গত ৩০ জুলাই রাত ১১টার দিকে শহরের নবাববাড়ি সড়কের দলীয় কার্যালয় থেকে ফেরার পথে সাবগ্রাম হাট এলাকায় একটি ফার্মেসিতে ওষুধ কিনতে যান অতুল। তখন আগে থেকে ওত পেতে থাকা আসামিরা পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাকে ঘিরে ফেলে।
মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, রাফিউল ইসলামের নির্দেশে নাহিদ ও জুয়েল তিন রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে আসামিরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অতুলকে আঘাত করে পালিয়ে যান। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে প্রথমে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
নারুলী পুলিশ ফাঁড়ি বগুড়ার এসআই অমীত বিশ্বাস জানান, মামলাটি নিয়ে দ্রুত কাজ করছি সিসি ফুটেজ জব্দ করা হবে। আসামিদের ধরতে অভিযান চলমান রয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, "অতুল চন্দ্র দাসের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা রেকর্ড হয়েছে। তদন্ত চলমান। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।”