২৫ আশ্বিন, ১৪৩৩

১০ অক্টোবর, ২০২৬

বগুড়ায় পাতি হাঁস লুটের মামলায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: এপ্রিল ২৭, ২০২৫, ৭:৪০ অপরাহ্ন
বগুড়ায় পাতি হাঁস লুটের মামলায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার


বগুড়ায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৫ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত ২৫০টি পাতি হাঁস ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি পিক আপ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল শনিবার তাদেরকে গ্রেফতার করে।

পুলিশ জানায়, গত বুধবার বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার ফটকি ব্রিজের পশ্চিমপার্শ্বে হাইওয়ে রাস্তার পাশে হাঁসের খামার থেকে অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন দেশীয় অস্ত্রধারী ডাকাত দল ৩০০টি হাঁস এবং ৩০০টি ডিম লুট করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য দুই লাখ ২৫ হাজার ১০০ টাকা। এ বিষয়ে শাজাহানপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং-৬২, তারিখ-২৬/০৪/২০২৫ খ্রি., ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড ১৮৬০। বাদীর প্রাপ্ত এজাহারের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসির নেতৃত্বে তথ্য প্রযুক্তি ও নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পৌনে ৫টার দিকে সময় বগুড়া শহরের মালতিনগর ভাটকান্দি ব্রীজ এলাকা হতে কাহালুর আড়োলা উত্তরপাড়ার মৃত রমজানের ছেলে আলী আজম (৩৬) এবং আদমদীঘি উপজেলার বড় জিনুইর গ্রামের মৃত ইব্রাহিমের ছেলে রবিউল ইসলাম (৩২) কে গ্রেফতার করে। তাদের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শেরপুর উপজেলার ভাদরা গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে ওমর ফারুক (৩৮) কে তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে। এসময় ডাকাতি হওয়া ২৫০টি পাতি হাঁস উদ্ধার করা হয়।

পরবর্তীতে তদন্তে প্রাপ্ত আসামী আলী আজম এর দেওয়া তথ্য মতে একই তারিখ রাত পৌনে ৮টায় গাবতলী উপজেলার বাইগুনী বাজার হতে মতিউর রহমান ওরফে মতি (৩৫) কে গ্রেফতার করা হয়। সে বাইগুনির মাহফুজার রহমানের ছেলে। তার দেওয়া তথ্যমতে, গাবতলী উপজেলার গোড়দহ দক্ষিণপাড়া গ্রামের নাজির হোসেনের বসতবাড়ীর সামনে ফাঁকা জায়গা হতে ডাকাতির মালামাল হাঁস বহন কাজে ব্যবহৃত পিকআপ উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামী মতিউরের দেওয়া তথ্য মতে অপর আসামী ফরিদ (৪২) কে গ্রেফতার করা হয়। সে কাহালু উপজেলার খিয়ার ভুগোইল গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে।

গ্রেফতারকৃত আসামীগণসহ পলাতক আসামীরা আন্তঃজেলা ডাকাত এবং চুরি চক্রের সক্রিয় সদস্য। তারা প্রায়ই বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি, চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটায়ে আসছিল। গ্রেফতারকৃত আলী আজমের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ডাকাতি-৭টি, চুরি-১২টি ও অস্ত্র আইনের ১টি সহমোট ১৯টি, রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ডাকাতি ৬টি, ওমর ফারুকের খুন ১টি, মতিউর রহমান ওরফে মতির বিরুদ্ধে ডাকাতি ২টি ও চুরি ২টি সহ ৪টি এবং ফরিদের বিরুদ্ধে ডাকাতি ২টি, খুন ১টি, চুরি ৮টি সহ ১১টি মামলা বিচারাধীন।