বগুড়া শিবগঞ্জের দেউলী ইউনিয়নের কৃষ্ণপূড় গ্রামে দাদার বিক্রিত জমি সন্ত্রাসী কায়দায় দখল ও গাছ,বাঁশ কাটার অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের বাসিন্দা ভূমিদস্যু মো.সামছুল আলমের বিরুদ্ধে। সামছুল আলমের বিরুদ্ধে পূর্বেও জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে।
গত শুক্রবার ১৮ এপ্রিল সকাল ৯.৩০ টায় সন্ত্রাসী কায়দায় জমি দখলের ঘটনা ঘটে।
এজাহার সুত্রে জানাযায় মো. এরশাদুল ইসলাম ভূট্টা (৪২) ও মো.মিনারুল ইসলাম (৩৭) উভয়ের ৩৩ শতাংশ বাঁশ ঝার ও আবাদি জমি জোরপূর্বক দখল করেন বিবাদী মো.সামছুল আলম(৩২) মোঃ খোকা মিয়া, মোঃ জয়নাল মোল্লা (৫০),
মোঃ আমিরুল ইসলাম (৪৫)মোঃ সোলায়মান আলী (৪০), মোঃ ফারুক হোসেন (৩৫),মো. আব্দুল মোমিন(৩৭), সহ পরিবারের সকল সদস্য।
বাদী এরশাদুল ইসলাম ভুট্টা জানায়, আমার দাদা মৃত শরিয়ত উল্লাহ ১৯৫২ সালে মৃত ইয়ের আলি, মৃত উত্তম আলি, মৃত মির আলি উভয়ের নিকট হতে ২৭ শতাংশ জমি ক্রয় করিয়া নিজেদের ভোগদখল করিয়া আসিতেছিলেন এমতবস্থায় গত শুক্রবার ১৮ এপ্রিল ২৫ ইং সকাল ৯.৩০ টায় আমার দখলীয় পৈতৃক জমিতে জোরপূর্বক ভাবে সামছুল আলম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনি আমার জমিতে প্রবেশ করিয়া দুই লক্ষ টাকার গাছ, বাঁশ ও বিভিন্ন জাতীয় ফসল ক্ষতি করে এবং তারা জমি দখলে নেয়।
বিষয়টি এলাকার মুরুব্বি ও গণ্য মান্য ব্যক্তিদের জানালে তারা গ্রাম্য শালিসে দখল কারিদের দালিলিক কোনো কাগজ না থাকায় জমি দখল মুক্ত ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত করে। গ্রাম্য শালীসে সমাঝতা হলেও পরবর্তিতে তা অমান্য করে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি প্রদান করে আসছেন বিবাদীরা।
জমির অন্য এক মালিক মো.মিনারুল ইসলাম জানায়, আমার দাদা মৃত কলিম উদ্দিন ১৯৬৭ সালে জমি ক্রয় করেন মৃত ইয়ের আলি, মৃত উত্তম আলি, মৃত মির আলি, উভয়ের নিকট হতে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করিয়া নিজেরা ভোগদখল করিয়া আসিতেছিলাম এমতবস্থায় গত ১৮ তারিখে অদৃশ্য শক্তির বলে আমাদের জমি দখল ও লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেন বিবাদীরা।
বিষয়টি জানতে বিবাদী সামছুলের সঙ্গে বার বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।