ইসরাইলে আবারো হামলা শুরু করেছে ইরান। এ হামলাটি যে ‘বড়সর ও ধ্বংসাত্মক’ হবে তার একটা সঙ্কেত আগেই দিয়েছিল তেহরান।
স্থানীয় সময় শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় ইসরাইলে নতুন করে বড় ধরনের এ হামলা শুরু করে ইরান। এ হামলায় ড্রোন আক্রমণের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে তারা। আঘাত করা হয়েছে ইসরাইলের সামরিক স্থাপনায়।
কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এসব তথ্য জানিয়েছে।
আলজাজিরা জানিয়েছে, ইরানের প্রেস টিভি দাবি করেছে, ইরানের মিসাইল ও ড্রোন ইসরাইলের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরাইলে বিপুলসংখ্যক মিসাইল নিক্ষেপ করেছে এবং ড্রোন হামলা চালিয়েছে। ইসরাইলের আক্রমণের পাল্টা হিসেবে ‘ট্রু প্রমিজ-৩’ নামে এ অপারেশন চালানো হচ্ছে।
ইরানের মিসাইল উত্তর ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে আঘাত হেনেছে। ইসরাইলি স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন, এতে একজন নিহত এবং ১৩ জন ইসরাইলি আহত হয়েছেন।
এদিকে, ইরান জানিয়েছে, ইসরাইল তেহরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শাহারান তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল। তবে তা প্রতিহত করা হয়েছে।
এর আগে, ইরানের বুশেহরের কাছাকাছি একটি গ্যাসক্ষেত্র এবং আবাদানের একটি তেল শোধনাগারে আক্রমণ চালিয়েছিল ইসরাইল।
এদিকে, সামাজিক মাধ্যম এক্সে প্রকাশ করা একটি ভিডিও যাচাই করে আলজাজিরা জানিয়েছে তেহরানেও আক্রমণ চালিয়েছে ইসরাইল। ওই ভিডিওতে ইরানের রাজধানী তেহরানে একটি বিস্ফোরণের চিত্র দেখা যায়।
এর আগে শুক্রবার (১৩ জুন) রাতে ইসরাইলের তেল আবিবে শতাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এতে চারজন নিহত ও অনেক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিন ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান হামলা চালায় ইসরাইল। ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।