২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩

১০ অক্টোবর, ২০২৬

বগুড়া চেম্বার নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় সভাপতি প্রার্থী বাদলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ৯:১৭ অপরাহ্ন
বগুড়া চেম্বার নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় সভাপতি প্রার্থী বাদলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ


বগুড়া চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন-২০২৬ এ ভোটগ্রহণ শুরুর কয়েক ঘন্টা পূর্বে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে বাদল-হিরু প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী এম এস এম আতিকুর রহমান বাদলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।

 নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছাঃ আছিয়া খাতুন শনিবার রাতে এই নোটিশ দেন।


নোটিশে উল্লেখ করা হয়, “আপনারা সভাপতি, সহ-সভাপতি ও পরিচালক পদের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন বিধিমালা ২৩ এর (ক) এবং ২৩ এর (চ) অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ৪৮ ঘন্টা পূর্ব হইতে সকল প্রকার নির্বাচনী প্রচারণা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকিবে এবং নির্বাচন উপলক্ষে বিজ্ঞাপন প্রদান, কোন প্রকার পোষ্টার, মাইক, চিকা অথবা ব্যানার ব্যবহার করা যাইবে না। ভোটকেন্দ্রের প্রবেশমুখে এবং সামনে চলাচলের রাস্তায় আপনাদের নির্বাচনি প্রচারণার লক্ষ্যে বিভিন্ন ফেস্টুন ব্যবহার দেখা যাচ্ছে। যা নির্বাচন আচরণ বিধির লঙ্ঘন। এই প্রেক্ষিতে, নির্বাচন বিধিমালা ভঙ্গের কারণে কেন আপনাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবেনা তা পত্র প্রাপ্তির ০২ (দুই) ঘণ্টার মধ্যে লিখিত আকারে জবাব নিম্নস্বাক্ষকারীর বরাবরে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।”

উল্লেখ্য, ভোটগ্রহনের আগের দিন মনিবার বিকেলে হঠাৎ করেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বাদল-হিরু প্যানেলের পক্ষ থেকে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র টিটু মিলনায়তনের প্রধান ফটকে বিশাল আকারের বেশ কয়েকটি ফেস্টুন টানানো হয়। এছাড়াও অনেকগুলো ব্যানারও টানানো হয় প্যানেলের পক্ষ থেকে।


বিষয়টি নির্বাচন পরিচালনা কমিটিকে অবগত করার পর কমিটির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ফেস্টুন ও ব্যানার সরিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু তারা না সরানোয় সভাপতি প্রার্থী আতিকুর রহমান বাদলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।


এদিকে, তফসিল ঘোষনার পর থেকেই একের পর এক নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আসছে বাদল-হিরু প্যানেল। উক্ত প্যানেলকে সুবিধা দেওয়ার অভিযোগে ইতোমধ্যেই বগুড়া চেম্বারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানাকে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহত প্রদান করা হয়েছে। এরপরেও নতুন করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার, ফেস্টুন টানানো এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে খুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পরেও তা না সরানোয় নির্বাচনের শান্তিপূর্ন পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।

প্রতিদ্বিন্দ্বী প্রার্থীরা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রতি জোর দাবী জানিয়েছেন।